ফরহাদ আহমেদ

সমাজের ধর্মীয় কুসংস্কার, জঙ্গীবাদ ও অনৈতিকতার এক অদম্য(অপ্রতিরোধ্য) ব্লগার ও লেখক।ধর্ম ব্যবসায়ীদের মুখোষ উন্মোচন ও ধর্মান্ধতার কবলে পড়ে সমাজ ও জনজীবন বিধ্বংসকারী কার্যকলাপ থেকে মানুষকে রক্ষা করাই তার লেখার মূল ভাষ্য।
তার প্রকাশিত প্রথম বই ”ধর্ম নিয়ে ব্যবসা” যা ২০২১ সালে প্রকাশিত হয়। এবং লেখকের ২য় বই “ধর্মের গোডামীর পথে ” যা ২০২৩ সালে প্রকাশিত হয়। এই বই দুটি বিপুল জনপ্রিয়তা লাভ করে৷

ব্লগার ও লেখক ফরহাম আহমেদের পিতা- আবুল কালাম ,মাতা-ফাতেমা বেগমের সন্তান।১৯৯৩ সালের ১০ ফ্রেরুয়ারী সিলেট জেলার বাবুরা গন গ্রামে একটি সম্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহন করেন।পিতা আবুল কালাম এলাকার একজন সুনামধন্য ব্যসায়ী এবং মাতা ফাতেমা বেগম গৃহিণী।

২০১৪ সালে রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিষয়ে বিএসএস (স্নাতক)পাশ করেন। কলেজ জীবন থেকেই তার মধ্যে অসাম্প্রদায়িক চেতনার বহিঃপ্রকাশ ঘটে।স্নাতক শেষ করার পর বাবার ব্যবসায় অংশগ্রহণের পাশাপাশি ২০২১ সালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ধর্মীয় কুসংস্কার ও জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে লেখালেখি শুরু করেন। একাধারে তিনি প্রকাশিত করেন অসংখ্য অগ্নিঝরা প্রতিবাদী লেখা।

এছাড়াও তিনি অবদান রাখেন বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়ন মূলক কাজে।পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন যুব সংঘটনের সাথে যুক্ত আছেন যারা সমাজের অসহায় মানুষগুলোর বিভিন্ন প্রকার সহযোগিতামূলক কাজ করে থাকে।

Blog

পুলিশ বিনা বিচারে মানুষ হত্যা করছে! বিচার করবে কে?

কোটা সংস্কার আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের ওপরে পুলিশ ও ছাত্রলীগের কর্মীদের হামলা, সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছাত্রলীগের সংঘর্ষ এবং বিরাজমান ইস্যুতে সরকারের অনমনীয় মনোভাবের কারণে গত কয়েক দিনে কমপক্ষে সাতজন নিহত হওয়ার ঘটনা

যেভাবে রক্তাক্ত হয়ে উঠল বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলন নিয়ে একের পর এক প্রতিবেদন প্রকাশ করে চলেছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো। বিবিসি, নিউইয়র্ক টাইমস, আলজাজিরা, গার্ডিয়ানের মতো সংবাদমাধ্যমে এ আন্দোলনের কারণ এবং এর প্রভাব তুলে ধরা হয়েছে।

বুধবার বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, সরকারবিরোধী বিক্ষোভের ফলে বাংলাদেশে পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদেরমধ্যে দেশব্যাপী সংঘর্ষ হয়েছে। এতে অন্তত ১৫০ জন নিহত হয়েছে। রক্তপাতের মধ্যে আটকে পড়াদের মধ্যে কেউ কেউবিবিসিকে ঘটনা

ধর্মই মানুষের মুক্তি । তাই বলে ধর্মীয় জঙ্গীবাদে আচ্ছন্ন ধর্ম মানুষের মুক্তি হতে পারে না। দেশের মানুষের আরো গবেষণা দরকার।

কুসংস্কার সমাজে পুরোপুরি আধিপত্য বিস্তার করতে না পারলেও সমাজের বৃহৎ অংশ কুসংস্কার দ্বারা অন্ধ বিশ্বাসে আচ্ছন্ন। সেই অতীতের হিপোক্রাটিস খেকে শুরু করে বর্তমান বিজ্ঞান যুগের মহামনীষিরা কুসংস্কার ভেঙ্গে সত্য বিশ্বাসে

পুলিশ ও সমাজের সদস্যরা পরস্পরের সহযোগী হিসেবে কাজ করে যেটি জঙ্গিবাদসহ যেকোনো অপরাধ দমনেই মূল ভূমিকা পালন করে

‘জঙ্গিবাদ’ শব্দটি শুনলে বা দেখলেই আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে ৯/১১-এর সেই মর্মান্তিক টুইন টাওয়ার হামলার চিত্র যেখানে ২৯০০-এর বেশি নিরীহ প্রাণকে জঙ্গিদের নির্মমতার শিকার হতে হয়েছিল। বাংলাদেশের ভেতরে উৎপাদিত

এই মুহূর্তে বাংলাদেশের সামনে যে ক’টি বড় বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে এই ধর্মভিত্তিক উন্মাদনা এবং রাজনীতির চ্যালেঞ্জ।

বাংলাদেশের জন্য ধর্মীয় উগ্রবাদ এক বিরাট চ্যালেঞ্জের নাম বহুদিন ধরেই একথা দেশের প্রগতিশীল সকল পক্ষ থেকেই আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে যে, বাংলাদেশে উগ্রবাদ ভয়ংকর ভাবে মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে এবং এর

পৃথিবীব্যাপী ধর্মীয় উগ্রবাদের দুইটা ধরণ আছে। একটা ভূ-রাজনৈতিক অন্যটি আন্তর্জাতিক। এই দুটি রূপই বাংলাদেশে ক্রিয়াশীল

মানুষ এখন ধর্মকে অনেকটা তার প্রয়োজনে ব্যবহার করছে। ধর্মের যে দিকটা পালন করা, ধারণ এবং নিজ স্বার্থে ব্যবহার করা সহজ সেই দিকটা আকড়ে ধরছে আর যে দিকটা নিজের প্রার্থিব স্বার্থ

যেভাবে অনুষ্ঠিত হচ্ছে নির্বাচন: আওয়ামীলীগ কি চাই? বাস্তবতা কি?

  দেশে মহাসমারোহে আবারও একটি জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। অবশ্য ‘অনুষ্ঠিত’ না বলে ‘অভিনীত’ হতে যাচ্ছে বলাই সম্ভবত যথাযথ হবে। এর অভিনেতা-অভিনেত্রী থেকে শুরু করে মঞ্চের সামনের দর্শক এবং

সমাজের শান্তি ও সম্প্রীতি নির্ভর করে একটি অঞ্চলের মানুষের ইতিবাচক মানসিকতার উপর; ধর্ম বা জাতীয়তার উপর নয়

যেকোনো উগ্রবাদ বিভাজন সৃষ্টি করে, কখনও একত্রিত করে না। এমন কোনো নজির নেই যেখানে ধর্মীয় উগ্রতা ও উগ্র জাতীয়তাবাদের কারণে দুটি সমাজ বা দেশ এক হয়েছে। সমাজের শান্তি ও সম্প্রীতি

ধর্মান্ধতার কবলে নিমজ্জিত সমাজ: চিকিৎসার অভাবে জীবন গেলো মা ও নবজাতকের

ধর্মান্ধতার কবলে নিমজ্জিত সমাজ: চিকিৎসার অভাবে জীবন গেলো মা ও নবজাতকের হিযবুত তাওহীদ ও দেওয়াবাগীদের ধর্মান্ধতা আর রমরমা ধর্মব্যবসায় যেভাবে প্রাণ গেলো মা ও নবজাতকের: আমাদের এলাকার মেয়ে চুমকি ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। কিন্তু হিযবুত তাওহীদ আর দেওয়ানবাগীদের ফতোয়ার ফলে চুমকির স্বামী তাকে কোনদিন

ফতোয়াবজির আড়ালে উস্কে দিচ্ছে জঙ্গীবাদ: কলকাঠি নাড়ছে ধর্মীয় উগ্রপন্থীদল হিজবুত তাওহীদ ও দেওয়ানবাগী

ফতোয়াবজির আড়ালে উস্কে দিচ্ছে জঙ্গীবাদ: কলকাঠি নাড়ছে ধর্মীয় উগ্রপন্থীদল হিজবুত তাওহীদ ও দেওয়ানবাগী এক কঠিন পরিস্থিতি বিরাজ করছে বাবুরা গন এলাকায়। সবকিছুতেই যেন যেন অস্থিরতা বিরাজমান। হিজবুত তাওহীদ ও দেওয়ানবাগীদের

ধর্মীয় কুসংস্কার আনতে পারে মহাবিপদ

করোনার ভয়াল থাবায় থমকে গেছে পুরো পৃথিবী। পরিস্থিতি কবে নাগাদ স্বাভাবিক হবে কারও জানা নেই। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে একমাত্র সচেতনতাই পারে এই ভয়াবহ পরিস্থিতি থেকে আমাদের রক্ষা করতে। কিন্তু

হিযবুত তওহিদ এমন একটি জঙ্গী দলের নাম যে ক্ষনে ক্ষনে রুপ বদলায় । কট্টর পন্থী জঙ্গী দল হিসেবেই প্রথমে আত্মপ্রকাশ করে

হিযবুত তওহিদ এমন একটি জঙ্গী দলের নাম যে ক্ষনে ক্ষনে রুপ বদলায় । কট্টর পন্থী জঙ্গী দল হিসেবেই প্রথমে আত্মপ্রকাশ করে । কিন্তুু জঙ্গী দলসমূহের লিস্টে নাম আসার সাথে সাথেই

সরকারের কালোতালিকাভুক্ত উগ্রপন্থি সংগঠন হিযবুত তাওহীদের কার্যক্রম এখনো চলছে। প্রশাসনের নাকের ডগায় স্বঘোষিত জামানার ইমাম মোহাম্মদ বায়েজিদ খান পন্নীর লেখা জঙ্গি তৎপরতার উসকানিমূলক বই, পত্রিকা সিডি ও লিফলেট বিক্রি এবং বিলি করছে, এই সংগঠনের কর্মীরা।

সরকারের কালোতালিকাভুক্ত উগ্রপন্থি সংগঠন হিযবুত তাওহীদের কার্যক্রম এখনো চলছে। প্রশাসনের নাকের ডগায় স্বঘোষিত জামানার ইমাম মোহাম্মদ বায়েজিদ খান পন্নীর লেখা জঙ্গি তৎপরতার উসকানিমূলক বই, পত্রিকা সিডি ও লিফলেট বিক্রি এবং

দেশে কতগুলো জঙ্গি সংগঠন রয়েছে, তার সঠিক কোনো তালিকা নেই সরকারের হাতে। এমনকি ওই জঙ্গি সংগঠনগুলোর অর্থ কোন পাইপলাইন দিয়ে বাংলাদেশে ঢুকছে তাও খুঁজে পাচ্ছেন না সংশ্লিষ্টরা

দেশে কতগুলো জঙ্গি সংগঠন রয়েছে, তার সঠিক কোনো তালিকা নেই সরকারের হাতে। এমনকি ওই জঙ্গি সংগঠনগুলোর অর্থ কোন পাইপলাইন দিয়ে বাংলাদেশে ঢুকছে তাও খুঁজে পাচ্ছেন না সংশ্লিষ্টরা। অতি দ্রুত এই

বাঙালির উদার ও অসাম্প্রদায়িক চরিত্র মুছে যাওয়ার ঝুঁকি দেখা দিয়েছে।

বাংলাদেশে উগ্রবাদী বক্তব্যের পাঠক-শ্রোতা-দর্শক ক্রমশ বাড়ছে। তরুণদের একটি বড় বাঙালি বা বাংলাদেশি পরিচয়ের চেয়ে ধর্মীয় পরিচয়ে পরিচিত হতে স্বচ্ছন্দ বোধ করছে বেশি। এতে সামাজিক অসহিষ্ণুতা বাড়ছে। বাঙালির উদার ও অসাম্প্রদায়িক

আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তায় হিজবুত তাওহীদের সাংগঠনিক কার্যক্রম আন্ডারগ্রাউন্ডে চলে যায়। গোপনে তারা কর্মকান্ড চালিয়ে আসছিল

সরকার গঠন করার পর পরই কয়েকটি সংঘর্ষ ও হতাহতের ঘটনার মধ্য দিয়ে বরিশালসহ গোটা দক্ষিণাঞ্চলে আত্মপ্রকাশ করে উগ্রপন্থি মৌলবাদী জঙ্গী সংগঠন হিজবুত তাওহীদ। প্রশাসনের কঠোর নজরদারী ও ধরপাকড়ের কারনে দীর্ঘদিন

বাংলাদেশের এই ধর্মভিত্তিক উন্মাদনা গোটা বিশ্বেই এখন আলোচনার বিষয় বটে

বাংলাদেশের জন্য ধর্মীয় উগ্রবাদ এক বিরাট চ্যালেঞ্জের নাম বহুদিন ধরেই একথা দেশের প্রগতিশীল সকল পক্ষ থেকেই আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে যে, বাংলাদেশে উগ্রবাদ ভয়ংকর ভাবে মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে এবং এর

র্মের আবির্ভাব হয়েছিল পৃথিবীর মানুষকে বিশৃঙ্খলা, অশান্তি ও গোঁড়ামি থেকে মুক্তি দিতে সেই হয়ে উঠেছে গোঁড়ামিপূর্ণ

যাহারা তোমার বিষাইছে বায়ু নিভাইছে তব আলো,/ তুমি কি তাদের ক্ষমা করিয়াছ, /তুমি কি বেসেছ ভালো?কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার প্রশ্ন কবিতায় স্বয়ং সৃষ্টিকর্তাকে এই প্রশ্ন করেছিলেন। বিশ্বকবি শুধু প্রশ্ন করেই

মানুষ এখন ধর্মকে অনেকটা তার প্রয়োজনে ব্যবহার করছে

মানুষ এখন ধর্মকে অনেকটা তার প্রয়োজনে ব্যবহার করছে। ধর্মের যে দিকটা পালন করা, ধারণ এবং নিজ স্বার্থে ব্যবহার করা সহজ সেই দিকটা আকড়ে ধরছে আর যে দিকটা নিজের প্রার্থিব স্বার্থ

ধর্মীয় জঙ্গিবাদ একটি আদর্শ এবং একটি বৈষয়িক সমস্যা

‘জঙ্গিবাদ’ শব্দটি শুনলে বা দেখলেই আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে ৯/১১-এর সেই মর্মান্তিক টুইন টাওয়ার হামলার চিত্র যেখানে ২৯০০-এর বেশি নিরীহ প্রাণকে জঙ্গিদের নির্মমতার শিকার হতে হয়েছিল। বাংলাদেশের ভেতরে উৎপাদিত

About Me

ব্লগার ও লেখক ফরহাম আহমেদের পিতা- আবুল কালাম ,মাতা-ফাতেমা বেগমের সন্তান।১৯৯৩ সালের ১০ ফ্রেরুয়ারী সিলেট জেলার বাবুরা গন গ্রামে একটি সম্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহন করেন।পিতা আবুল কালাম এলাকার একজন সুনামধন্য ব্যসায়ী এবং মাতা ফাতেমা বেগম গৃহিণী।

২০১৪ সালে রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিষয়ে বিএসএস (স্নাতক)পাশ করেন। কলেজ জীবন থেকেই তার মধ্যে অসাম্প্রদায়িক চেতনার বহিঃপ্রকাশ ঘটে।স্নাতক শেষ করার পর বাবার ব্যবসায় অংশগ্রহণের পাশাপাশি ২০২১ সালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ধর্মীয় কুসংস্কার ও জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে লেখালেখি শুরু করেন। একাধারে তিনি প্রকাশিত করেন অসংখ্য অগ্নিঝরা প্রতিবাদী লেখা।

এছাড়াও তিনি অবদান রাখেন বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়ন মূলক কাজে।পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন যুব সংঘটনের সাথে যুক্ত আছেন যারা সমাজের অসহায় মানুষগুলোর বিভিন্ন প্রকার সহযোগিতামূলক কাজ করে থাকে।

Follow

Blog

পুলিশ বিনা বিচারে মানুষ হত্যা করছে! বিচার করবে কে?

কোটা সংস্কার আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের ওপরে পুলিশ ও ছাত্রলীগের কর্মীদের হামলা, সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছাত্রলীগের সংঘর্ষ এবং বিরাজমান ইস্যুতে সরকারের অনমনীয় মনোভাবের কারণে গত কয়েক দিনে কমপক্ষে সাতজন নিহত হওয়ার ঘটনা

যেভাবে রক্তাক্ত হয়ে উঠল বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলন নিয়ে একের পর এক প্রতিবেদন প্রকাশ করে চলেছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো। বিবিসি, নিউইয়র্ক টাইমস, আলজাজিরা, গার্ডিয়ানের মতো সংবাদমাধ্যমে এ আন্দোলনের কারণ এবং এর প্রভাব তুলে ধরা হয়েছে।

বুধবার বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, সরকারবিরোধী বিক্ষোভের ফলে বাংলাদেশে পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদেরমধ্যে দেশব্যাপী সংঘর্ষ হয়েছে। এতে অন্তত ১৫০ জন নিহত হয়েছে। রক্তপাতের মধ্যে আটকে পড়াদের মধ্যে কেউ কেউবিবিসিকে ঘটনা

ধর্মই মানুষের মুক্তি । তাই বলে ধর্মীয় জঙ্গীবাদে আচ্ছন্ন ধর্ম মানুষের মুক্তি হতে পারে না। দেশের মানুষের আরো গবেষণা দরকার।

কুসংস্কার সমাজে পুরোপুরি আধিপত্য বিস্তার করতে না পারলেও সমাজের বৃহৎ অংশ কুসংস্কার দ্বারা অন্ধ বিশ্বাসে আচ্ছন্ন। সেই অতীতের হিপোক্রাটিস খেকে শুরু করে বর্তমান বিজ্ঞান যুগের মহামনীষিরা কুসংস্কার ভেঙ্গে সত্য বিশ্বাসে

পুলিশ ও সমাজের সদস্যরা পরস্পরের সহযোগী হিসেবে কাজ করে যেটি জঙ্গিবাদসহ যেকোনো অপরাধ দমনেই মূল ভূমিকা পালন করে

‘জঙ্গিবাদ’ শব্দটি শুনলে বা দেখলেই আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে ৯/১১-এর সেই মর্মান্তিক টুইন টাওয়ার হামলার চিত্র যেখানে ২৯০০-এর বেশি নিরীহ প্রাণকে জঙ্গিদের নির্মমতার শিকার হতে হয়েছিল। বাংলাদেশের ভেতরে উৎপাদিত

এই মুহূর্তে বাংলাদেশের সামনে যে ক’টি বড় বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে এই ধর্মভিত্তিক উন্মাদনা এবং রাজনীতির চ্যালেঞ্জ।

বাংলাদেশের জন্য ধর্মীয় উগ্রবাদ এক বিরাট চ্যালেঞ্জের নাম বহুদিন ধরেই একথা দেশের প্রগতিশীল সকল পক্ষ থেকেই আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে যে, বাংলাদেশে উগ্রবাদ ভয়ংকর ভাবে মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে এবং এর

পৃথিবীব্যাপী ধর্মীয় উগ্রবাদের দুইটা ধরণ আছে। একটা ভূ-রাজনৈতিক অন্যটি আন্তর্জাতিক। এই দুটি রূপই বাংলাদেশে ক্রিয়াশীল

মানুষ এখন ধর্মকে অনেকটা তার প্রয়োজনে ব্যবহার করছে। ধর্মের যে দিকটা পালন করা, ধারণ এবং নিজ স্বার্থে ব্যবহার করা সহজ সেই দিকটা আকড়ে ধরছে আর যে দিকটা নিজের প্রার্থিব স্বার্থ

যেভাবে অনুষ্ঠিত হচ্ছে নির্বাচন: আওয়ামীলীগ কি চাই? বাস্তবতা কি?

  দেশে মহাসমারোহে আবারও একটি জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। অবশ্য ‘অনুষ্ঠিত’ না বলে ‘অভিনীত’ হতে যাচ্ছে বলাই সম্ভবত যথাযথ হবে। এর অভিনেতা-অভিনেত্রী থেকে শুরু করে মঞ্চের সামনের দর্শক এবং

সমাজের শান্তি ও সম্প্রীতি নির্ভর করে একটি অঞ্চলের মানুষের ইতিবাচক মানসিকতার উপর; ধর্ম বা জাতীয়তার উপর নয়

যেকোনো উগ্রবাদ বিভাজন সৃষ্টি করে, কখনও একত্রিত করে না। এমন কোনো নজির নেই যেখানে ধর্মীয় উগ্রতা ও উগ্র জাতীয়তাবাদের কারণে দুটি সমাজ বা দেশ এক হয়েছে। সমাজের শান্তি ও সম্প্রীতি

ধর্মান্ধতার কবলে নিমজ্জিত সমাজ: চিকিৎসার অভাবে জীবন গেলো মা ও নবজাতকের

ধর্মান্ধতার কবলে নিমজ্জিত সমাজ: চিকিৎসার অভাবে জীবন গেলো মা ও নবজাতকের হিযবুত তাওহীদ ও দেওয়াবাগীদের ধর্মান্ধতা আর রমরমা ধর্মব্যবসায় যেভাবে প্রাণ গেলো মা ও নবজাতকের: আমাদের এলাকার মেয়ে চুমকি ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। কিন্তু হিযবুত তাওহীদ আর দেওয়ানবাগীদের ফতোয়ার ফলে চুমকির স্বামী তাকে কোনদিন

ফতোয়াবজির আড়ালে উস্কে দিচ্ছে জঙ্গীবাদ: কলকাঠি নাড়ছে ধর্মীয় উগ্রপন্থীদল হিজবুত তাওহীদ ও দেওয়ানবাগী

ফতোয়াবজির আড়ালে উস্কে দিচ্ছে জঙ্গীবাদ: কলকাঠি নাড়ছে ধর্মীয় উগ্রপন্থীদল হিজবুত তাওহীদ ও দেওয়ানবাগী এক কঠিন পরিস্থিতি বিরাজ করছে বাবুরা গন এলাকায়। সবকিছুতেই যেন যেন অস্থিরতা বিরাজমান। হিজবুত তাওহীদ ও দেওয়ানবাগীদের

ধর্মীয় কুসংস্কার আনতে পারে মহাবিপদ

করোনার ভয়াল থাবায় থমকে গেছে পুরো পৃথিবী। পরিস্থিতি কবে নাগাদ স্বাভাবিক হবে কারও জানা নেই। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে একমাত্র সচেতনতাই পারে এই ভয়াবহ পরিস্থিতি থেকে আমাদের রক্ষা করতে। কিন্তু

হিযবুত তওহিদ এমন একটি জঙ্গী দলের নাম যে ক্ষনে ক্ষনে রুপ বদলায় । কট্টর পন্থী জঙ্গী দল হিসেবেই প্রথমে আত্মপ্রকাশ করে

হিযবুত তওহিদ এমন একটি জঙ্গী দলের নাম যে ক্ষনে ক্ষনে রুপ বদলায় । কট্টর পন্থী জঙ্গী দল হিসেবেই প্রথমে আত্মপ্রকাশ করে । কিন্তুু জঙ্গী দলসমূহের লিস্টে নাম আসার সাথে সাথেই

সরকারের কালোতালিকাভুক্ত উগ্রপন্থি সংগঠন হিযবুত তাওহীদের কার্যক্রম এখনো চলছে। প্রশাসনের নাকের ডগায় স্বঘোষিত জামানার ইমাম মোহাম্মদ বায়েজিদ খান পন্নীর লেখা জঙ্গি তৎপরতার উসকানিমূলক বই, পত্রিকা সিডি ও লিফলেট বিক্রি এবং বিলি করছে, এই সংগঠনের কর্মীরা।

সরকারের কালোতালিকাভুক্ত উগ্রপন্থি সংগঠন হিযবুত তাওহীদের কার্যক্রম এখনো চলছে। প্রশাসনের নাকের ডগায় স্বঘোষিত জামানার ইমাম মোহাম্মদ বায়েজিদ খান পন্নীর লেখা জঙ্গি তৎপরতার উসকানিমূলক বই, পত্রিকা সিডি ও লিফলেট বিক্রি এবং

দেশে কতগুলো জঙ্গি সংগঠন রয়েছে, তার সঠিক কোনো তালিকা নেই সরকারের হাতে। এমনকি ওই জঙ্গি সংগঠনগুলোর অর্থ কোন পাইপলাইন দিয়ে বাংলাদেশে ঢুকছে তাও খুঁজে পাচ্ছেন না সংশ্লিষ্টরা

দেশে কতগুলো জঙ্গি সংগঠন রয়েছে, তার সঠিক কোনো তালিকা নেই সরকারের হাতে। এমনকি ওই জঙ্গি সংগঠনগুলোর অর্থ কোন পাইপলাইন দিয়ে বাংলাদেশে ঢুকছে তাও খুঁজে পাচ্ছেন না সংশ্লিষ্টরা। অতি দ্রুত এই

বাঙালির উদার ও অসাম্প্রদায়িক চরিত্র মুছে যাওয়ার ঝুঁকি দেখা দিয়েছে।

বাংলাদেশে উগ্রবাদী বক্তব্যের পাঠক-শ্রোতা-দর্শক ক্রমশ বাড়ছে। তরুণদের একটি বড় বাঙালি বা বাংলাদেশি পরিচয়ের চেয়ে ধর্মীয় পরিচয়ে পরিচিত হতে স্বচ্ছন্দ বোধ করছে বেশি। এতে সামাজিক অসহিষ্ণুতা বাড়ছে। বাঙালির উদার ও অসাম্প্রদায়িক

আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তায় হিজবুত তাওহীদের সাংগঠনিক কার্যক্রম আন্ডারগ্রাউন্ডে চলে যায়। গোপনে তারা কর্মকান্ড চালিয়ে আসছিল

সরকার গঠন করার পর পরই কয়েকটি সংঘর্ষ ও হতাহতের ঘটনার মধ্য দিয়ে বরিশালসহ গোটা দক্ষিণাঞ্চলে আত্মপ্রকাশ করে উগ্রপন্থি মৌলবাদী জঙ্গী সংগঠন হিজবুত তাওহীদ। প্রশাসনের কঠোর নজরদারী ও ধরপাকড়ের কারনে দীর্ঘদিন

বাংলাদেশের এই ধর্মভিত্তিক উন্মাদনা গোটা বিশ্বেই এখন আলোচনার বিষয় বটে

বাংলাদেশের জন্য ধর্মীয় উগ্রবাদ এক বিরাট চ্যালেঞ্জের নাম বহুদিন ধরেই একথা দেশের প্রগতিশীল সকল পক্ষ থেকেই আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে যে, বাংলাদেশে উগ্রবাদ ভয়ংকর ভাবে মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে এবং এর

র্মের আবির্ভাব হয়েছিল পৃথিবীর মানুষকে বিশৃঙ্খলা, অশান্তি ও গোঁড়ামি থেকে মুক্তি দিতে সেই হয়ে উঠেছে গোঁড়ামিপূর্ণ

যাহারা তোমার বিষাইছে বায়ু নিভাইছে তব আলো,/ তুমি কি তাদের ক্ষমা করিয়াছ, /তুমি কি বেসেছ ভালো?কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার প্রশ্ন কবিতায় স্বয়ং সৃষ্টিকর্তাকে এই প্রশ্ন করেছিলেন। বিশ্বকবি শুধু প্রশ্ন করেই

মানুষ এখন ধর্মকে অনেকটা তার প্রয়োজনে ব্যবহার করছে

মানুষ এখন ধর্মকে অনেকটা তার প্রয়োজনে ব্যবহার করছে। ধর্মের যে দিকটা পালন করা, ধারণ এবং নিজ স্বার্থে ব্যবহার করা সহজ সেই দিকটা আকড়ে ধরছে আর যে দিকটা নিজের প্রার্থিব স্বার্থ

ধর্মীয় জঙ্গিবাদ একটি আদর্শ এবং একটি বৈষয়িক সমস্যা

‘জঙ্গিবাদ’ শব্দটি শুনলে বা দেখলেই আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে ৯/১১-এর সেই মর্মান্তিক টুইন টাওয়ার হামলার চিত্র যেখানে ২৯০০-এর বেশি নিরীহ প্রাণকে জঙ্গিদের নির্মমতার শিকার হতে হয়েছিল। বাংলাদেশের ভেতরে উৎপাদিত

About Me

ব্লগার ও লেখক ফরহাম আহমেদের পিতা- আবুল কালাম ,মাতা-ফাতেমা বেগমের সন্তান।১৯৯৩ সালের ১০ ফ্রেরুয়ারী সিলেট জেলার বাবুরা গন গ্রামে একটি সম্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহন করেন।পিতা আবুল কালাম এলাকার একজন সুনামধন্য ব্যসায়ী এবং মাতা ফাতেমা বেগম গৃহিণী।

২০১৪ সালে রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিষয়ে বিএসএস (স্নাতক)পাশ করেন। কলেজ জীবন থেকেই তার মধ্যে অসাম্প্রদায়িক চেতনার বহিঃপ্রকাশ ঘটে।স্নাতক শেষ করার পর বাবার ব্যবসায় অংশগ্রহণের পাশাপাশি ২০২১ সালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ধর্মীয় কুসংস্কার ও জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে লেখালেখি শুরু করেন। একাধারে তিনি প্রকাশিত করেন অসংখ্য অগ্নিঝরা প্রতিবাদী লেখা।

এছাড়াও তিনি অবদান রাখেন বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়ন মূলক কাজে।পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন যুব সংঘটনের সাথে যুক্ত আছেন যারা সমাজের অসহায় মানুষগুলোর বিভিন্ন প্রকার সহযোগিতামূলক কাজ করে থাকে।

Follow